শনিবার ১৩ জুন ২০২৬
Online Edition

অভ্যুত্থান এবং গণমাধ্যম

আবদুল লতিফ মাসুম

মুখ যেমন মনের আয়না, তেমনি সমাজের আয়না হচ্ছে গণমাধ্যম। সাম্প্রতিককালের প্রযুক্তি বিপ্লবের আগে সংবাদপত্র ঘিরে একথাটি বহুবার বহুভাবে উচ্চারিত হয়েছে। এখন গণমাধ্যমের যুগ। গণমাধ্যম মানে প্রযুক্তি বিপ্লবের ফলে প্রিন্ট মিডিয়ার পরিবর্তে ইলেট্রনিক মিডিয়া-সৃষ্ট গণমানুষের মতপ্রকাশক বিভিন্ন উপায়, উপকরণ। এসব অনুষঙ্গের বিভিন্ন নাম বিভিন্ন ধাম। কম্পিউটার, মোবাইল ফোন এবং এতদনির্ভর বিভিন্ন মাত্রায় গণমাধ্যমের প্রকাশ দেখা যায়। ফেইসবুক, ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটস্্অ্যাপ, টুইটার, ভাইভার, ইন্সট্রাগ্রাম ইত্যাদি বিবিধভাবে ও হরেকরকম কৌশলে গণমাধ্যমের প্রকাশ ঘটছে। এই প্রযুক্তি বিপ্লবের সুবাদে মুদ্রণশিল্পের বিলুপ্তির আশঙ্কা করছেন বিদ্বৎজনেরা। তারপরও রক্ষণশীলদের বক্তব্য গ্রন্থনা ও সংবাদপত্রের আবেদন হারিয়ে যাবে না কোনোদিন। সীমিতভাবে হলেও হাতের কাছে বাস্তবভাবে উপস্থাপিত বই ও পত্র-পত্রিকার কদর এখনও কম নয়। বিজ্ঞানীরা বিবর্তনের কথা বলেন। গণমাধ্যমের বিবর্তন ভবিষ্যৎ কী তা আমাদের চিন্তার বিষয়। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তাঁর ভবিষ্যতের নিবন্ধে আশা প্রকাশ করেছিলেন যুদ্ধের মতো ভয়ঙ্কর বিষয় অথবা পারমাণবিবক বোমা বিস্ফোরণের হাজার বছর পর মানুষ সেই আদ্যিকালের ইট-পাথর দিয়ে যুদ্ধ করবে। আমাদের আশা প্রযুক্তি বিপ্লবের প্রলয় ঘটিয়ে মানুষ একদিন আবার হাতের কাছে সাজানো গ্রন্থাবলি ফিরে পেতে চাইবে। সেদিন সংবাদপত্রও আবার প্রাতকালের বাহন হিসাবে আসবে। এখনও এই সময়ে এমন কিছু পশ্চাৎপদ লোক আছে যারা সংবাদপত্রকে আজও কাগজেই পেতে চান, অনলাইনে নয়। যাহোক, বাংলাদেশ কিংবা গোটা বিশে^ গণমাধ্যমের নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা কখনও ছিল না, আর হয়তোবা থাকবেও না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার অন্যতম স্থপতি জেফারসন বলেছিলেন—তাঁকে যদি রাষ্ট্র অথবা সংবাদপত্র এর মধ্যে একটিকে বেছে নিতে বলা হয়; তিনি সংবাদপত্রকেই বেছে নিবেন রাষ্ট্রের বিনিময়ে হলেও। আর সংবাদপত্র সম্পর্কে সেই পুরানো ‘চতুর্থ স্তম্ভ’ সকলেরই জানা কথা। মানুষ সভ্যতার অগ্রগতির সাথে সাথে স্বাধীনতাকে যেমন অনিবার্য মনে করেছে, তেমনি গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। মানুষ স্বাভাবিকভাবেই কথা বলতে চায়। মনের ভাব প্রকাশ করতে চায়। বাক-স্বাধীনতা চায়। মনের মাধুরী মিশিয়ে গদ্য-পদ্য ও গল্প জাহির করতে চায়। আর গণমাধ্যম কিংবা আগের পরিভাষা সংবাদপত্র ব্যতীত তা সম্ভব নয়। তাই গণমাধ্যম হয়ে উঠেছে সাহিত্য সাধনার ক্ষেত্র। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ ও শিক্ষার লালন-পালন বিকাশ ও বিস্তৃতি গণমাধ্যম ব্যতীত সম্ভব নয়। 

ঔপনিবেশিক আমলে আমরা স্বাধীন ছিলাম না। আমাদের সংবাদপত্র তথা গণমাধ্যমও স্বাধীন ছিল না। স্বাধীনতা অর্জনের পর দেশে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জোয়ার লক্ষ্য করা যায়। এই জোয়ারকে শাসক শ্রেণি নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছে বারবার। ব্রিটিশ যুগে যখন-তখন সংবাদপত্র বন্ধ হয়ে যেতো। আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম সংবাদপত্রে অগ্নিগর্ভ বক্তব্যের কারণে কারারুদ্ধ হয়েছেন। পাকিস্তান আমলের ‘অভ্যন্তরীণ অধীনতা’ এর সময়ে সংবাদপত্র নিরঙ্কুশ স্বাধীন ছিল না। ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতার খড়গ নিপতিত হয়েছে সংবাদপত্রে অনেকবার। দৈনিক ইত্তেফাক ও এর সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া সেই খড়গের শিকার হয়েছেন। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে দ্বিতীয়বার স্বাধীন হলো যখন এই দেশ, তখন সাধারণ জনগণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখলো। কিন্তু ‘এক নেতা একদেশ, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ’ স্লোগানের আড়ালে কায়েম হলো বাকশাল। চারটি সংবাদপত্র বাদে আর কোনো সংবাদপত্র প্রকাশের অধিকার থাকলো না। এর আগে তারা ‘প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন্স অর্ডিন্যান্স’ জারি করে সংবাদপত্রকে নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছে। তারা গণতন্ত্রের কথা বলতো, কিন্তু মগজে ছিল স্বৈরতন্ত্র। মুখে ও বুকে গণতন্ত্রের সমান্তরাল আবেদন না থাকার কারণে পরমতসহিষ্ণুতা, সমঝোতা, ব্যক্তি-স্বাধীনতার বিষয়াবলী পদদলিত হয়েছে। প্রাথমিক শাসনকালে (১৯৭২-১৯৭৫) তারা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দলন করেছে। আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় ও দীর্ঘ শাসনকাল (২০০৯-২০২৪) এর সময়কালে তারা স্বাধীনতা দলন করেই ক্ষান্ত হয়নি; বরং নিপীড়ন-নির্যাতন, অন্যায়-অত্যাচারকে তাদের শাসনের নীতিমালা হিসাবে গ্রহণ করেছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে নির্মূল করে তারা তাদের দুঃশাসনকে আড়াল করতে চেয়েছে। এই সময়ে তারা দুটো নীতি গ্রহণ করে। ইংরেজিতে বলা হয় ‘স্টিক অ্যান্ড ক্যারট’। ভীতি ও মূলোর সংমিশ্রণ ঘটিয়ে তারা সংবাদপত্র তথা গণমাধ্যমকে তাদের পক্ষে প্রচারণায় বাধ্য করেছে। তারা বেশ কিছু টিভি ও সংবাদপত্র নিজেদের মালিকানায় নিয়ে নিয়েছে। যখন কেউ একটু-আধটু স্বাধীনতার স্বাদ পেতে চেয়েছে; তখন তিনি বলেছেন, যে দেয় সে নিয়ে নিতেও পারে। বোঝা যায়, রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত এবং পৈতৃক সম্পত্তি হিসাবে তারা বিবেচনা করেছে। একজন প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম মূসা’কে টিভি-চ্যানেলের মালিকানা এইজন্য দেয়া হয়নি যে, তাঁর ব্যক্তিগত আনুগত্য নিরঙ্কুশ নয়। বিরোধীদলের টিভি-চ্যানেল ও সংবাদপত্র দখলের ইতিহাসও তাদের রয়েছে। হেফাজতের ইসলামের নির্মম রক্তপাতকে তুলে ধরার অপরাধে বন্ধ হয়ে যায় দিগন্ত টিভি ও ইসলামিক টিভি। সত্যপ্রকাশের অপরাধে অবরুদ্ধ হন একজন নির্ভীক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। আইনীভাবে নয়; বে-আইনীভাবে বন্ধ করে দেয়া হয় জনপ্রিয় দৈনিক আমার দেশ। ঠুনকো অভিযোগে বছরের পর বছর কারারুদ্ধ থাকেন প্রবীণ সম্পাদক আবুল আসাদ।

এইসব আইনগত অন্যায় বিধি-ব্যবস্থা কায়েম করেই হাসিনা সরকার নিবৃত থাকেনি। সারাদেশে পরিচালিত গুম, খুন, হামলা, মামলার ভুক্তভোগী হয়েছেন সাংবাদিকবৃন্দ। রাজধানী কিংবা মফস্বল সর্বত্র তারা গুম ও খুনের শিকার। একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে, বিগত à§§à§« বছরে সাগর-রুনি দম্পতিসহ তাদের হাতে খুন হয়েছে ৬৪ জন। আর আহত হয়েছে সহ¯à§à¦°à¦¾à¦§à¦¿à¦•। শীর্ষ নেতা তো দূরের কথা তাদের আধিনেতা, পাতিনেতা ও সিকিনেতাদের সমালোচনা করলেও সাংবাদিকরা নিপীড়নের শিকার হতেন। যখন-তখন কারণে-অকারণে মামলা দায়ের করা হতো। সংবাদপত্র দলনের জন্য ‘প্রেস অ্যান্ড অর্ডিন্যান্স’ জারি ছিল। প্রযুক্তি নির্ভর গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের জন্য দু’দফায় আরোপিত হলো ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট’। প্রতিবাদের মুখে প্রাথমিক আইনটি প্রত্যাহার করা হয়। দ্বিতীয়বার যখন আইনটি সংশোধন করা হয় তার নাম দেয়া হয় ‘সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট’। সাংবাদিকদের প্রতারণা নতুন বোতলে পুরাতন মদ পরিবেশিত হয়। সাগর-রুনি হত্যার আন্দোলনটি অভিন্ন ব্যানারে বা ঐক্যবদ্ধভাবে পরিচালিত হলে তাদের টনক নড়ে। আন্দোলনের নেতাকে সরকারের উপদেষ্টা বানিয়ে বিভেদের মাধ্যমে আন্দোলনকে নস্যাৎ করে সরকার। একশ্রেণির সুবিধাভোগী সাংবাদিক হালুয়া রুটি খেয়ে আন্দোলন থেকে সটকে পড়েন। প্রকারান্তরে আন্দোলনের মূল নেতা রুহুল আমিন গাজী’কে কয়েক বছর জেল খাটতে হয়। এই জেল খাটাই রুহুল আমিন গাজীর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। একশ্রেণির সংবাদপত্র সরকারের মুখপত্র হওয়ার কারণে করোনাকালে লক্ষ লক্ষ টাকার ত্রাণ সহায়তা লাভ করে। বিরোধীদের সহায়তার পরিবর্তে  হয়রানি করা হয়। 

এভাবে প্রায় প্রতিটি গণমাধ্যমকে সরকার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। জনপ্রিয় টকশোগুলো থেকে বিরোধী ব্যক্তিদের বিতাড়িত করা হয়। সেখানে প্রশংসা ও প্রশস্তির প্লাবন ঘটে। অপরদিকে, সিভিল সোসাইটি যে সচেতন অংশ সত্য প্রকাশ করে তাদের আটক করা হয়, মামলা দেয়া হয় ও নানারকম হয়রানির শিকার হতে হয়। লেখক মুশতাক আহমেদ’কে কারাগারেই মৃত্যুবরণ করতে হয়। আলোকচিত্রী শহিদুল আলম অশেষ নিপীড়নের শিকার হন। কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর ভিন্নমত পোষণের কারণে কারাভোগ করেন। তাদের এই নিপীড়ন থেকে ১৪ বছরের কিশোরও রেহাই পায়নি।

এইসব অন্যায়-অত্যাচারের মধ্যদিয়ে গোটা জাতি এক শ^াসরুদ্ধকর অধ্যায় অতিক্রম করে। শেখ হাসিনার ছল-বল-কলের কাছে গণমাধ্যম ক্রীড়নকে পরিণত হয়। অক্টোপাসের মতো প্রতিটি চ্যানেল ও সংবাদপত্র একক বন্দনা করতে থাকে। বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি সফল না হওয়ায় গণমাধ্যম অসহায় হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অভিনব অধ্যায়ের সূচনা হয়। শিক্ষার্থীদের বৈষম্যহীন আন্দোলন আলোকবর্তিকা হিসাবে আবির্ভূত হয়। ৬ জুলাই থেকে সূচিত এই আন্দোলন সরকার রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা না করে শক্তি প্রয়োগের নির্মম নীতি গ্রহণ করে। শিক্ষার্থীদের সফলতার খবর যাতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত না হয়; সেজন্য সরকার নানা ধরনের অলিখিত বিধি-নিষেধ আরোপ করে। এমনকি সরকার ইন্টারনেটের ব্যবহার বন্ধ করে দেয়। এর মাঝেও প্রযুক্তির নানা ব্যবহারের মাধ্যমে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জনগণের কাছে তাদের বার্তা পৌঁছাতে সক্ষম হয়। অধিকাংশ টিভি-চ্যানেল সুবিধাবাদের পদ গ্রহণ করে। আবার কোনো কোনো টিভি-চ্যানেল কৌশলগতভাবে আন্দোলনের পক্ষ অবলম্বন করে। সংবাদপত্রেও একই ধরনের অবস্থান লক্ষ্য করা যায়। à§« আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চূড়ান্ত বিজয় লাভ করে। এর অব্যবহিত পরে কিছু গণমাধ্যম গণবিরোধী ভূমিকা পালনের কারণে আক্রান্ত হয়। বিগত à§§à§« বছরে যেসব চ্যানেল অবৈধ আওয়ামী তাঁবেদাররা দখল করেছিল; সেগুলো মূল মালিকানায় প্রত্যাবর্তন করে। বেশ কয়েকটি চ্যানেলে বিরোধীপক্ষের নামে চাঁদাবাজি ও দখলের অভিযোগ পাওয়া যায়। মোটামুটিভাবে সমস্ত গণমাধ্যম বোল পাল্টে ফেলে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রশংসা ও শিক্ষার্থীদের প্রশস্তিতে ভরে যায় সকল গণমাধ্যম। নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করলে গণবিপ্লব পরবর্তীকালে তিনটি বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করা যায়। প্রথমত, স্বেচ্ছায় ও সুবিধাভোগের আশায় বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম নির্লজ্জ ভূমিকা পালন করে। দ্বিতীয়ত, কয়েকটি গণমাধ্যম সুবিধাজনক ব্যাসার্ধ গ্রহণ করে। 

সুকৌশলে তারা সরকার ও বিরোধীপক্ষকে খুশি করতে চায়। তৃতীয়ত, হাতেগোনা মাত্র দু’ একটি চ্যানেল ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের পর অবাধ স্বাধীনতার পরিবেশ পরিলক্ষিত হয়। সরকার প্রধান প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস গণমাধ্যমের সমালোচনাকে স্বাগত জানান। কোনো রকম বিধি-নিষেধ ও রাখঢাক ছাড়াই এই মুহূর্তে গণমাধ্যম অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করছে। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অতিমাত্রিক দলীয়প্রবণ হওয়ার কারণে আশঙ্কা করা হয় যে, এই স্বাধীনতা আগামী দিনগুলোতে এভাবেই চলতে পারবে কি-না। বিদ্বৎজনরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, নির্বাচন যতোই ঘনিয়ে আসবে ততোই রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিতর্ক ও বিবাদ ঘনীভূত হবে। 

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের আরো আশঙ্কা যে, নির্বাচন পরবর্তী সরকার গণমাধ্যমের এই অবাধ স্বাধীনতা অব্যাহত রাখবে কি-না। লোকেরা বলে, ‘যে যায় লঙ্কা সে হয় হনুমান’। আমাদের অতীতও এক্ষেত্রে সুখকর নয়। বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ গণমাধ্যমের সত্যিকার ভূমিকা নিশ্চিতকরণের প্রত্যাশা করে। এ লক্ষ্যে সাংবিধানিক সংস্কার ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার অপরিহার্য। লেট আস হোপ ফর দ্য বেস্ট।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ